পলিটিক্সমহানগর বার্তারাজ্য বার্তা

রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতে নয়া মোড়, ১৯ রেজিস্ট্রারকে শো-কজ শিক্ষা দফতরের

নিউজ ডেস্ক: রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতে এবার নয়া মোড়। ১৯ জন রেজিস্ট্রারকে শো-কজের সিদ্ধান্ত শিক্ষা দফতরের। এদিন বিকাশভবনের ডাকা বৈঠকে যাঁরা অনুপস্থিত ছিলেন তাঁরাই পড়তে চলেছেন শো-কজের মুখে। প্রসঙ্গত, ব্রাত্য বৈঠক ডাকলেও সেখানে রেজিস্ট্রাররা যাবেন কি না, তা নিয়ে চাপানউতোর চলছিলই। এরইমধ্যে শোনা যায় উপচার্যদের কাছে গিয়েছে রাজভবনের চিঠি। সেখানে রেজিস্ট্রাররা যাতে বিকাশভবনে না যান সে বিষয়টি দেখতে বলা হয়। যা নিয়ে বিতর্ক চলছিলই। এরইমধ্যে শুক্রবার বিকাশভবনে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সভাপতিত্বে হয় বৈঠকে। কিন্তু, গরহাজির ছিলেন অনেক রেজিস্ট্রারই। এরইমধ্যে বিকাশভবনের শো-কজ নিয়ে শুরু নয়া চর্চা।

একদিকে বিকাশভবনের ডাক, অন্যদিকে রাজ্যপাল তথা আচার্যের নিষেধাজ্ঞার জেরে বৃহস্পতিবার থেকেই তুমুল চাপে ছিলেন রেজিস্ট্রারেরা। সোজা কথায় শ্যাম রাখি না কুল রাখি অবস্থায় তথৈবচ অবস্থা হয় সকলের। কারা ব্রাত্যর বৈঠকে আসবেন আর কারা আসবেন না তা নিয়ে বাড়তে থাকে জল্পনা। বিতর্কের মধ্যেই আবার শুক্রবার ইস্তফা দেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার নূপুর দাস। যা নিয়ে আরও বাড়ে বিতর্ক। সূত্রের খবর, এদিনে বৈঠকে যে ১৯ রেজিস্ট্রার যোগ দেননি তাঁদের কাছে কিছুক্ষণের মধ্যেই শো-কজ লেটার পৌঁছে যাবে বলে খবর। কেন তাঁরা খরচাপাতি-হিসাবনিকেশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে এলেন না।

প্রসঙ্গত, রেজিস্ট্রারদের দেওয়া আচার্যের নির্দেশ নিয়েও এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কীভাবে আচার্য হয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে রেজিস্ট্রারদের যেতে নিষেধ করতে পারেন তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাঁকে। তাঁর দাবি, এ তো এক প্রকার হুমকির সামিল। এখানেই শেষ নয়। এদিন রাজ্যপাল তথা আচার্যের বিরুদ্ধে লাগাতার চাঁচাছোলা ভাষায় তোপ দাগতে দেখা যায় তাঁকে। বলেন, প্রথম প্রথম যখন বিষয়গুলি ঘটছিল তখন ভাবছিলাম খলজি সদৃশ কাজ করছেন আচার্য। পরবর্তীতে বুঝলাম মহম্মদ বিন তুঘলকের মতো তুঘলকি আচরণ করছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *