আন্তর্জতিক বার্তা

চারশো বছরের ঐতিহ্য বগুড়ার পোড়াদহে মাছের মেলা

শাকিল আহম্মেদ (বগুড়া জেলা) : ঢাকঢোল পিটিয়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে বগুড়ার গাবতলী ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ সন্ন্যাসী ও জামাই মেলা বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) অনুষ্ঠিত হয়েছে। রীতি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে বউ মেলা।

জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ মেলায় এসে ক্রয়-বিক্রয় করেছে। উপভোগ করেছে নানা ধরনের বিনোদন ও খেলা। মেলায় বিক্রি হয়েছে কয়েক হাজার মন মাছ ও মিষ্টি। মাছের দাম কিছুটা চড়া হলেও বিক্রি হয়েছে বড় বড় চিতল, ভেউস, বোয়াল, রুই ও কাতলা’সহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশী-বিদেশী মাছ। পুরুষ নারী নির্বিশেষে বিভিন্ন পেশার মানুষের ঢল নেমে ছিল ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলায়। দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় অসংখ্য মাছ ছিল।

মেলায় ভেউস মাছ কেজি প্রতি বিক্রি করা হয় ১হাজার ৫শ থেকে ২হাজার টাকা, পাখিমাছ প্রতি কেজী বিক্রি হয়েছে ১৫শত থেকে ২হাজার টাকা, বোয়াল মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হয়েছে ৭শ থেকে ১হাজার ৫শ টাকা, রুই মাছ প্রতি কেজি বিক্রি করা হয় ৮শ থেকে ১হাজার টাকা, কাতলা মাছ কেজি প্রতি বিক্রি করা হয় ৮শ থেকে ৯শ টাকা, ব্লাক-কাপ প্রতিকেজী ৭শ থেকে ৯শত টাকা, আরকাটা প্রতিকেজী ২২শত থেকে ২৫শত টাকা, ব্রি-কেট প্রতিকেজী ৬শত থেকে ৮শত টাকা, গ্লাস-কাপ প্রতিকেজী ৫শত থেকে ৮শত টাকা। এছাড়া বিভিন্ন রকমের মাছ নানা মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। শেষ পর্য়ন্ত ১ থেকে ২কোটি টাকার মাছ বিক্রি আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় সন্ন্যাসী পূজা উপলক্ষে চারশো বছরের পুরানো এই মেলায় ছিল প্রশাসনের কঠোর নজরদারী। মেলায় প্রসিদ্ধ হলো বড় বড় মাছ, হরেক রকম মিষ্টি, কাঠ বা ষ্ট্রীল র্ফানিচার, বড়ই (কুল) ও কৃষি সামগ্রী বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং খাদ্য দ্রব্য হাট-বাজার ন্যায় কেনা-বেচা করা হয়। এছাড়া বিনোদন মূলক ছিল সার্কাস, মোটর সাইকেল খেলা, নৌকা খেলা ও নাগোরদোলা এবং শিশুদের জন্য দোলনা।

মেলার পরিচালক ও মহিষাবান ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ মন্ডল জানান, প্রশাসন ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় শান্তিপূর্নভাবে মেলা সম্পন্ন হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *