মহানগর বার্তারাজ্য বার্তাস্বাস্থ্য বার্তা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এবার ‘দুয়ারে চিকিৎসা’

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে যার মধ্যে অন্যতম ছিল দুয়ারে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এই প্রকল্প রাজ্যজুড়ে ভালো সারা পেয়েছে। একই পন্থায় এবার অভিনব ভাবনা রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের।

রাজ্যবাসীদের জন্য সুখবর এখন থেকে মিলবে দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা। চিকিত্‍সক, নার্স, ওষুধ, পোর্টেবেল চিকিত্‍সা যন্ত্র-সহ মেডিক্যাল ভ্যান পৌঁছে যাবে সাধারণ মানুষের বাড়ির দরজায়। এর আগেও শহরের মেডিক্যাল কলেজও হাসপাতালগুলির অভিজ্ঞ চিকিত্‍সকরা গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় চিকিত্‍সা পরিষেবা দিয়ে এসেছেন।

রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাতের উদ্যোগে চিকিৎসা পরিষেবা আরও প্রসারিত করতেই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের এই প্রয়াস। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রাথমিক ভাবে দুটি মেডিক্যাল ভ্যানের মাধ্যমে কলকাতার বস্তি এলাকাগুলিতে বিনামূল্যে মিলবে সরকারি পরিষেবা। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে অনেকেই হাসপাতালে চিকিত্‍সা নিয়ে যেতে পারেন না। অথবা একবার চিকিত্‍সককে দেখালেও পরবর্তী ফলোআপের জন্য পৌঁছতে পারেন না!

আবার কিছু ক্ষেত্রে হাসপাতালে টিকিট থেকে চিকিত্‍সক দেখানোর লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর মত সময়সাপেক্ষ পদ্ধতির কথা ভেবে নানা সমস্যার জন্য পিছপা হন। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালে গেলে গুনতে হয় অনেক টাকা। এই নানান সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এই নতুন পরিকল্পনা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের।

জানা গিয়েছে, নতুন এই মোবাইল মেডিক্যাল ভ্যান পরিচালনার জন্য চার সদস্যের এক এক্সপার্ট কমিটি তৈরি করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য পরিবহণ বিভাগের যুগ্ম স্বাস্থ্য অধিকর্তা সুশান্ত পাল, ন্যাশনাল আর্বান হেলথ মিশনের স্টেট নোডাল অফিসার ও উপস্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ দেবাশিস রায়, উপস্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ নিতাইচন্দ্র মণ্ডল, কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্সের স্টেট নোডাল অফিসার ডাঃ নির্মাল্য রায়।

এই মোবাইল মেডিক্যাল ভ্যানের বিষয়ে স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “সমাজের সব স্তরে যাতে চিকিত্‍সা ব্যবস্থা পৌঁছে যেতে পারে সেজন্যই আমাদের এই পদক্ষেপ। আপাতত দুটো ভ্যান চালু করা হচ্ছে, ধীরে ধীরে এই সংখ্যাটা আরও বাড়ানো হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *